রোববার দুপুরে লবনচরাস্থ র্যাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৬ এর উপ-অধিনায়ক এম নাজিউর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূ খুলনার দৌলতপুর থানাধীন এলাকায় একটি টিনশেড বাড়িতে ভাড়া থাকেন। আসামি মো. আল-আমিন বিভিন্ন সময় তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঐ গৃহবধূর স্বামী বাড়ির বাইরে থাকার সুযোগে আল-আমিনসহ অন্যান্য আরো ১০-১৫ জন মিলে তার ভাড়া বাড়িতে গিয়ে কুপ্রস্তাব দেন। ভুক্তভোগী রাজি না হওয়ায় আসামিরা জোরপূর্বক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগী চিৎকার করলে আসামিরা হুমকি দিয়ে চলে যান।
.png)
ঐ গৃহবধূকে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে দৌলতপুর থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের একটি মামলা করেন তিনি। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মূল আসামি মো. আল-আমিনের অবস্থান জানা গেলেও তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে বরিশাল, ঢাকা, সাভারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকেন।
র্যাব জানায়, গোপন তথ্যের মাধ্যমে র্যাব জানতে পারে গণধর্ষণ মামলার আসামিরা বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। রোববার ভোরে চিতলমারী থানাধীন বড়বাড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আল-আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে খুলনার দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।