ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

উন্মুক্ত হচ্ছে রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৫৫, ১৯ অক্টোবর ২০২৩
উন্মুক্ত হচ্ছে রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু
রাঙ্গামাটি সিম্বল খ্যাত ঝুলন্ত সেতু- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাঙ্গামাটি সিম্বল খ্যাত ঝুলন্ত সেতু পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল শুক্রবার সেতুটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর ভারী বর্ষণে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধির কারণে ঝুলন্ত সেতুটির পাটাতন ডুবে যায়। এতে সেতুতে পর্যটকদের চলাচলা বন্ধ করে দেয় পর্যটন কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক আরিফ বলেন, রাঙ্গামাটিতে পর্যটকরা আসে ঝুলন্ত ব্রিজ দেখার জন্য। সেতুটি নতুনভাবে আরো উচুঁতে তৈরি করা হলে পর্যটকরা ঘুরে আনন্দ পাবেন।

Advertisement

বগুড়া থেকে আসা আরেক পর্যটক মেহেদী হাসান বলেন, এখন কাপ্তাই হ্রদে পানি ভরপুর। একটু পানি কমে গেলে ঐ ব্রিজে ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।

ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সহ-সভাপতি রমজান আলী জানান, কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধির কারণে দেড় মাস ঝুলন্ত সেতু দিয়ে চলাচল বন্ধ ছিল। শুক্রবার সেতুটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

রাঙ্গামাটি সিম্বল খ্যাত ঝুলন্ত সেতুরাঙ্গামাটি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, সেতুটির পাটাতনের বিভিন্ন স্থানে কিছু কিছু পানি রয়েছে। পানি কালকের মধ্যে পুরোপুরি শুকিয়ে যাবে। এরপর পর্যটকদের জন্য সেতুতে ওঠা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৮০ সালে সরকার রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলাকে পর্যটন এলাকা ঘোষণা করে। ১৯৮৬ সালে জেলা সদরে সরকারি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্স স্থাপন করা হলে সেখানে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে বিচ্ছিন্ন হওয়া দুটি পাহাড়ের সংযোগ স্থাপনে ৩৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের মনোরম ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এরপর সেতুটি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে এটি দেশে-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে। এ ঝুলন্ত সেতুর পূর্বদিকে কাপ্তাই হ্রদের স্বচ্ছ জলরাশিসহ রয়েছে ছোটবড় নৈসর্গিক সবুজ পাহাড়মালা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!