রোববার সকালে পৌর শহরের আমলা পাড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ভৈরব থানা পুলিশ। নাজমা বেগম পৌর শহরের পঞ্চবটি এলাকার সোলায়মান মিয়ার মেয়ে।
জানা যায়, আমলাপাড়া এলাকার খোকন মিয়ার বাসা বাড়িতে সকালে গৃহবধূ নাজমার দুই কন্যা সন্তান জান্নাত ও রৌজা ঘুম থেকে ওঠে দেখতে পান পাশের রুমের দরজা লাগানো রয়েছে। তাদের চিৎকার চেচামেচীতে স্থানীয়রা এসে দরজা ভেঙে দেখতে পান ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে উড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আছে নাজমা বেগম। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
.png)
নিহতের বাবা সোলায়মান মিয়া জানান, ১২ বছর আগে নরসিংদী জেলার দুলালকান্দি গ্রামের জাকির হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় নাজমা বেগমের। তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। গত ১ বছর আগে জাকির মিয়ার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্বে তাদের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ২ মেয়ে নিয়ে নাজমা বেগম হতাশ ও চিন্তার মধ্যে দিনযাপন করেন। আমার ছেলে ও মেয়ে তাদের ভরণ পোষণ দিতো। গতকাল শনিবারও সে আমার বাড়ি থেকে আমাদের সঙ্গে দেখা করে এসেছে। হঠাৎ সকাল বেলা শুনতে পাই আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমার দুটি নাতনি চিরতরে এতিম হয়ে গেলো। বাবা থেকেও নেই।
ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।