জানা যায়, মালুয়া বাসফোরের ছেলে বিজয় বাসফোর ও জগদীশ বাসফারের ছেলে মানিক বাসফোর সর্ম্পকে চাচাতো-জ্যাঠাতো ভাই। বিজয় ও মানিকের সম্পর্ক খুব গাঢ়। তারা একসঙ্গে ঘোরাফেরা করতেন। বিজয় বাসফোর উপজেলার ইকরচালী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্ন কর্মী ছিলেন।
বিজয়ের বাবা মালুয়া বাসফোর বলেন, শনিবার দুপুরে চাকরির প্রথম বেতন পেয়ে বিজয় পূজার কেনাকাটা করতে পার্শ্ববর্তী নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার একটি মার্কেটে যান। সেখানে দেখতে পান মানিকের স্ত্রী পারুল রানি অন্য পুরুষের সঙ্গে ঘোরাফেরা করছেন। বাড়িতে ফিরে বিষয়টি মানিককে জানান বিজয়। ফলে মানিক ও তার স্ত্রী পারুল রানির মধ্যে তর্কের সৃষ্টি হয়। রাত ১১টার দিকে বিজয়কে বাড়ির উঠান বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য ডাকেন মানিক। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিজয়ের গলায় চাকু ঢুকিয়ে দেন মানিক। দ্রুত উদ্ধার করে বিজয়কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান তিনি।
.png)
মানিকের স্ত্রী পারুল রানি বলেন, আমি সৈয়দপুরে একটি বিউটি পার্লারে গিয়েছিলাম। অন্য ছেলের হাত ধরে ঘোরার অভিযোগ সঠিক না। রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমাদের বাড়িতে চারজন আত্মীয় এসেছিল। ওই সময় মানিকও বাড়িতে ছিল। মানিকের উপস্থিতিতে তার চার বন্ধুকে বিজয় অপদস্থ করে বের করে দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।
তারাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।