সোমবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভৈরব রেলস্টেশনের আউটার পয়েন্টে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-কিশোরগঞ্জ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে মালবাহী ট্রেনটি সিগন্যাল না মানায় এ সংঘর্ষ হয়েছে।
.png)
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, মালবাহী ট্রেনটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। একইসময় ভৈরব থেকে ঢাকায় যাচ্ছিল যাত্রীবাহী ট্রেন এগারোসিন্ধুর। ভৈরব রেলস্টেশনের আউটার পয়েন্টে ক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের শেষ দুই বগিতে ধাক্কা দেয় মালবাহী ট্রেনটি। এতে যাত্রীবাহী ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে যায়।
ভৈরবে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মালবাহী ট্রেনের লোকমাস্টার (চালক), সহকারী লোকোমাস্টার ও গার্ডকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান।
ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার সিরাজ-উদ-দৌলা খান।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের দাফনের জন্য স্বজনদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সুপার রাসেল শেখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।