বিকাশ প্রতারক চক্রের দুই সদস্য হলেন- উপজেলার সহস্রাইল বাজারের অনলাইন ব্যাংকিং এজেন্ট ও সহস্রাইল গ্রামের রংধনু টেলিকমের স্বত্বাধিকারী কিবরিয়া মোল্যা এবং একই ইউনিয়নের বাড়ইকান্দী গ্রামের পঙ্কজ বাড়ই। পরে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।
গত শুক্রবার (৩ নভেম্বর) রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী কিবরিয়া ও পঙ্কজ বাড়ই এর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের সত্যতা পাওয়া যায়। এর আগে, গত ১ সেপ্টেম্বর এ ঘটনা ঘটে।
.png)
খুলনার খান জাহান আলী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ জানান, খুলনার শিরোমনি হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মফিজুল ইসলাম মিস্ত্রিকে গত ১ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মোবাইলে কল দিয়ে নিজেকে তার ছাত্রের অভিভাবক দাবি করেন। ওই ব্যক্তি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তার মোবাইল ব্যাংকিং রকেট অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা প্রাপ্তির একটি ভুয়া ম্যাসেজ দেন। তিনি বুঝতে না পেরে সরল বিশ্বাসে ওই নম্বরে ৪৫ হাজার টাকা ফেরত পাঠান। পরে রকেট অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করলে প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে খুলনার খান জাহান আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী হাফেজ মফিজুল ইসলাম।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে গিয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের সহযোগিতায় গত শুক্রবার (৩ নভেম্বর) রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী কিবরিয়া ও পঙ্কজ বাড়ই এর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে শেখর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল মোল্যার মধ্যস্থতায় ভুক্তভোগীর ৪৫ হাজার টাকা ফেরত দেন তারা।
শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল মোল্যা বলেন, ভুক্তভোগীর টাকা লেনদেনের সত্যতা পাওয়া যায়। অভিযোগকারীর টাকা ফেরত দেওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।