অভিযুক্ত দুইজন আড়ুয়াকান্দি নটাখোলা বড়খোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের একই শ্রেণির ছাত্র। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যান।
স্বজনরা জানান, কিছুদিন ধরে নবম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে আলাদাভাবে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল একই শ্রেণির দুই ছাত্র। কিন্তু প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা এ কাজ করে। সবশেষ রোববার সকালে ভাইয়ের সঙ্গে হেঁটে স্কুলে আসছিল ওই শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ের কাছে গেল ইজিবাইকে আসা ওই দুই স্কুলছাত্রের সহযোগীরা ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করে। একপর্যায়ে বখাটেরা ওই স্কুলছাত্রীর শরীরে পেট্রল ঢেলে দিয়াশলাই দিয়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ভাই-বোনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় বখাটেরা। পরে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
.png)
কদমবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাস বলেন, ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে বখাটেরা।
আড়ুয়াকান্দি নটাখোলা বদখোলা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক স্বপন ঠাকুর বলেন, বিষয়টিকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। অল্পের জন্য মেয়েটি বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছে। আমরা সবাই এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
মাদারীপুরের রাজৈরের কদমবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) লোকমান মিয়া বলেন, মেয়েটিকে উত্ত্যক্ত করতো একই শ্রেণির দুই ছাত্র। মূলত প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ঘটনাটি ঘটেছে। অপরাধীদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।