সোমবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এর আগে, রোববার রাত ১১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জষড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন একটি পুকুর পাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশু ফেহা আক্তার উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জষড়া গ্রামের সালামত পাটোয়ারী বাড়ির ফারুক হোসেনের মেয়ে।
.png)
নিহতের মামা মো.ফাহাদ বলেন, রোববার দুপুরে তার বাবাকে বাড়িতে না দেখে খোঁজাখুজি করে ফেহা। ওই সময় তাদের বাড়ির পাশে একটি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন চলছিল। ফেহা সেখানে গিয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে খেলাধুলা করে। এরপর দুপুর ২টার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। এদিকে তার বাবা বাড়িতে এসে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে জষড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন পুকুর পাড়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফেহার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
চাটখিল থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরো বলেন, ফেহার মাথায় ও ডান চোখের ডান পাশে জখমের চিহ্ন রয়েছে। শিশুটিকে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।