শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের এয়ারপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম ওরফে মুন্সির বসতঘরে ও একই গ্রামের কদম মিয়ার পাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ফাটল দেখা দেয়।
অপরদিকে, রিখটার স্কেলে এই ভূকম্পনের মাত্রা মাঝারি মানের বলে জানান নোয়াখালী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আরজুল ইসলাম।
.png)
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার এয়ারপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম মুন্সির আধাপাকা বসতঘরের ৩-৪টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়াও একই গ্রামের কদম মিয়ার পাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের বাইরে ফাটল দেখা দিয়েছে। একটি পিলারের বেশ কয়েকটি টাইলস খুলে নিচে পড়ে গেছে। ভূকম্পন অনুভূত হলে স্থানীয় বাসিন্দারা ভয়ে মসজিদে আজান দিতে থাকেন। এ সময় তারা ভূকম্পন থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই ভূমিকম্পে পুরো নোয়াখালী কেঁপে ওঠে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
উল্লেখ্য, ইউরোপীয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ও মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা- ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৬।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১০টি হালকা ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে। এতে জানমালের তেমন ক্ষতি না হলেও বড় ধরনের ভূমিকম্পের আভাস পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।