সিন্দুকে পাওয়া সেই চিরকুটে লেখা আছে, ‘পাগলা বাবা আমার সালাম নিবেন। আপনি অনেক মহান ও দয়ালু আপনার কাছ থেকে কেউ নিরাশ হয়নি। আমার সন্তান আমেরিকায় থাকে। বিগত ৬-৭ বছর যাবৎ তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারতেছি না। আপনি দয়া করে আমার সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করার ব্যবস্থা করে দেবেন। আমি একখানা খাসি দেব, মান্নত করলাম।’
এদিকে, ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোনা হয়েছে।
.png)
জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৯ আগস্ট মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ২৩ বস্তায় রেকর্ড ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা, সোনার গয়না ও হীরা পাওয়া গিয়েছিল।
গত ১৯ আগস্ট সর্বশেষ দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন ২৩টি বস্তায়, রেকর্ড পরিমাণ ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া গিয়েছিল।