নিহত ময়রম গোয়ালপাড়া দক্ষিণ নতুন মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা ইকবাল মন্ডলের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানায়, ময়রব বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী কয়েকজন কিশোরী আর তার ছোট বোনের সঙ্গে মাঠে শাক তুলতে যায়। দুপুরে ময়রমের সঙ্গে যারা ছিল তারা বাড়ি এসে জানায় ময়রমকে ধরে একজন ভুট্টার মধ্যে নিয়ে গেছে। তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পরিবারের লোকজন মাঠে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে ভুট্টার ক্ষেতে তার গলাকাটা লাশ পড়ে থাকে দেখেন। এ সময় ময়রমের গায়ে গেঞ্জি থাকলেও পরনের পায়জামা সাইডে পড়ে ছিল।
.png)
ময়রমের দাদি জাহানারা জানান, মেয়ে দুটো মসজিদে ছিল। মসজিদ থেকে এসে মাকে বলল ভাত দাও। ভাত খেয়ে শাক তুলতে যাব। একটু পর পাশের বাড়ির শফিকুলের মেয়ে এসে ময়রমকে বলছিল, তাড়াতাড়ি খেয়ে শাক তুলতে যাব। আমি আবার বলেছি, মদু কার সঙ্গে যাবি। বলল আমরা কয়জনই যাব। দুপুরের দিকে তিনজন ফিরে এসে বলে ময়রমকে পাচ্ছি না। একজন ময়রমকে ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে নিয়ে গেছে। তার মুখে তিল ছিল। আমরা তখন রান্না ফেলে ভুট্টাক্ষেতের মধ্যে গিয়ে দেখি, ময়রম পড়ে রয়েছে। গায়ে গেঞ্জি ও পায়জামা সাইডে পড়ে ছিল।
সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইশাবুল ইসলাম মিল্টন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই কিশোরকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
জীবননগর থানার ওসি এসএম জাবিদ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ চুয়াডাঙ্গায় মর্গে পাঠানো হবে। জড়িতদের শনাক্ত করতে সব ধরনের পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, কেউ ময়রমকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যা ও ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।