জেলে দিদার চৌধুরী বলেন, সকালে টানা জাল নিয়ে সাগর উপকূলে মাছ ধরতে যান। জালে এক টানে ধরা পড়ে ১৭ মণ ছুরি মাছ। বিকেলে বাহারছড়ার হলবনিয়া সমুদ্র সৈকতে মাছগুলো পাঁচটি স্তূপ করে রাখা হয়। যা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, কক্সবাজার ও টেকনাফের মাছ ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে ১৭ মণ ছুরি মাছ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কেনেন। এসব মাছ শুঁটকি হিসেবে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। মাছগুলো শুঁটকি তৈরি করে বাজারজাত করা হবে।
.png)
টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগরের মাছ খুবই সুস্বাদু। ছুরি মাছ সাধারণত ১ কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়। ছোট ছুরি মাছ রোদে শুকিয়ে শুঁটকি খেলে স্বাদ বেশি হয়।
তিনি আরো বলেন, সাধারণত এক সঙ্গে এতো ছুরি মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ে না। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় সাগরে এমন মাছের ঝাঁক জেলের জালে ধরা পড়েছে।