শ্বশুর মেলায় ১০০টি বিভিন্ন ধরনের দোকান রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে- দেশীয় বস্ত্র, কসমেটিক্স অ্যান্ড বিউটিএইডস, জুতা ও চামড়াজাত পণ্যর ব্যাগ, স্পোর্টস আইটেম, খেলনা, স্টেশনারি, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্য।
মেলার আয়োজক কমিটি বলছেন, এই শ্বশুর মেলা উপলক্ষে তেঘরিয়া এলাকায় আনন্দ উল্লাস চলছে। মেলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, এলাকার জামাইয়েরা তাদের শ্বশুর-শাশুড়িকে দাওয়াত করে আনা। শীতকালে এবার এলাকায় জামাইয়ের শ্বশুরবাড়িতে না গিয়ে শ্বশুর-শাশুড়িকে দাওয়াত করে জামাই বাড়িতে এনেছে। মেলায় নাতিদের নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে আনন্দ উল্লাস করছেন নানারা।
.png)

শ্বশুর মেলার আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন উজ্জল বলেন, শ্বশুর মেলা প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে এবার। এলাকায় এই সময়টাতে প্রতিটি বাড়িতে পিঠাপুলির আয়োজন করা হয়। এবার জামাইয়েরা শ্বশুরবাড়িতে না গিয়ে, শ্বশুরদের জামাই বাড়িতে দাওয়াত করা হয়েছে। তাই শীতকালীন মেলার পরিবর্তে শ্বশুর মেলা দিয়েছি। মেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
মেলায় ঘুরতে আসা আবদুল বারিক বলেন, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসেছি। তাদের নিয়ে নাগরদোলা ও ট্রেনে উঠিয়েছিলাম।
তিনি আরো বলেন, মেয়ে জামাই দাওয়াত করে এনেছে। জামাই বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের পিঠার আয়োজন করেছে মেয়ে। এই বয়সে এসে মেলায় নাতি-নাতনিদের নিয়ে খুব উল্লাস করেছি।