ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

গৃহবধূর মৃত্যু, স্বজনরা বলছেন শ্বশুরের কু-নজরের বলি!

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:০৭, ৬ জানুয়ারি ২০২৪
গৃহবধূর মৃত্যু, স্বজনরা বলছেন শ্বশুরের কু-নজরের বলি!
গৃহবধূ লামিয়া। ফাইল ফটো

ভোলার লালমোহন উপজেলায় লামিয়া নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। ঐ গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার সকালে চরফ্যাশন হাসপাতাল থেকে লালমোহন থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। 

গৃহবধূ লামিয়া লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সৌদি প্রবাসী জসিম হাওলাদারের মেয়ে। এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গৃহবধূ লামিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে সেখান থেকে নামিয়ে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন তার শ্বশুর ছিদ্দিক মিয়া। হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লামিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

লামিয়ার শ্বশুর ছিদ্দিক মিয়া বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে আমি স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না। সন্ধ্যায় আমরা বাসায় ফিরে দেখি দ্বিতীয়তলায় নিজ রুমের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে লামিয়া। পরে তাকে সেখান থেকে নামিয়ে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে কী কারণে লামিয়া ফাঁস নিয়েছে তা বলতে পারছি না।’

Advertisement

অন্যদিকে, লামিয়ার বড় বোন তানিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রায় এক বছর আগে কর্তারহাট এলাকার ছিদ্দিক মিয়ার ছেলে শরিফের সঙ্গে আমার বোন লামিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে লামিয়ার প্রতি কু-নজর দেয় তার শ্বশুর ছিদ্দিক। বিষয়টি লামিয়া আমাদের জানিয়েছিল। সম্ভবত শ্বশুরের অনৈতিক আচরণের কারণেই লামিয়া গলায় ফাঁস দিয়েছে।’

ঘটনার বিষয়ে জানতে লামিয়ার স্বামী শরিফের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে লামিয়ার শ্বশুর ছিদ্দিক মিয়া জানান, এ ধরনের সন্দেহ এবং অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

লালমোহন থানার ওসি এসএম মাহবুব উল আলম বলেন, পরিবারের অভিযোগ পেয়ে ঐ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর মূল কারণ জানা যাবে। আপাতত এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!