ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

পুলিশের অভিযানে জলদস্যু বাহিনীর ৪ সদস্য গ্রেফতার

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:১৬, ১৩ জানুয়ারি ২০২৪
পুলিশের অভিযানে জলদস্যু বাহিনীর ৪ সদস্য গ্রেফতার
গ্রেফতারকৃত জলদস্যু বাহিনীর চার সদস্য -ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে জলদস্যু বাহিনীর ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতারের পর শনিবার সকালে তাদের তজুমদ্দিন থানায় আনা হয়। এরপর থানার পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. আনোয়ারুল হক জানান, গত ৬ জানুয়ারি উপজেলার চরমোজাম্মেল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় জেলেদের ট্রলারে রাত ১১টার দিকে হামলা চালায় মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু ফোরকান বাহিনী। এ সময় দস্যুরা ট্রলার থেকে জেলে আব্দুল হাই (৫০) এবং মো. ইউসুফ আলী (৪৫) নামের দুই জেলেকে অপহরণ করে নোয়াখালীতে নিয়ে যান।

পরে মোবাইলে জলদস্যুরা জেলেদের আড়তদারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। জলদস্যুদের দাবি অনুযায়ী আড়তদার বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে ১ লাখ টাকা দিলে দস্যুরা অপহরণকৃত জেলেদের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানাধীন সূর্যমুখী ঘাট এলাকায় ফেলে দিয়ে চলে যান। পরে আড়তদার জেলেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৭ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় হাতিয়া থানার তমুরউদ্দিন ঘাট থেকে উদ্ধার করে তাদের তজুমদ্দিনে আনেন। 

Advertisement

ওসি জানান, এ ঘটনায় ১০ জানুয়ারি শশীগঞ্জ স্লুইচঘাটের আড়তদার মো. সেলিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে তজুমদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি লোকমান মাঝিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করলে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শুক্রবার দিনভর চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের একটি দল। 

ওসি আরো জানান, ওই অভিযানে ফোরকান বাহিনীর আরো ৩ জলদস্যুকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- লোকমান মাঝি (৩২), রিয়াজ (৩১), মো. কালাম হোসেন (৩০) ও মো. মিরাজ (৩০)। তাদের কাছ থেকে দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলার ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলার পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। গ্রেফতারকৃত এসব দস্যুদের আদালতে পাঠানো হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!