গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. আবু হুরায়রা রোহান, মো. মনোয়ার হোসেন মুন্না ও মো. জুনায়েদ ইসলাম।
রোহান রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার নতুন বুধপাড়ার মো. মতিউর রহমানের ছেলে, মুন্না একই এলাকায় মো. মনিরুল ইসলাম কানেডির ছেলে ও জুনায়েদ মো. আসাদুল ইসলামের ছেলে।
.png)
গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে আসামি রোহান ও জুনায়েদ এ ঘটনায় বিজ্ঞ আদালতে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
মতিহার থানার ওসি শেখ মো. মোবারক পারভেজ জানান, গত ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকার ঐ গৃহবধূ রিকশা নিয়ে তার খালার বাড়ি যাচ্ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমির সন্নিকটে পৌঁছালে সেখানে আসামি রোহান সেই নারীর সঙ্গে কথা বলার নাম করে পাশেই মটমটির বিলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর আসামি রোহান তার অন্যান্য সহযোগীদের সংবাদ দেয়। তারাও গিয়ে সেই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং আসামি জুনায়েদ মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। এরপর আসামিরা রাত ৮ টার দিকে ঐ নারীকে মতিহার থানার বুধপাড়া আর. বি ফুড গ্যালারিতে জোর করে নিয়ে গিয়ে সেখানেও পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
এদিকে তার পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ১৩ জানুয়ারি দুপুর ২ টার দিকে মোবাইল ফোন খোলা পেয়ে যোগাযোগ করে তাকে অসুস্থ অবস্থায় বুধপাড়া আর. বি ফুড গ্যালারির সামনে থেকে উদ্ধার করে। ঐ নারীর মায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মতিহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।