ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. জুয়েল মিয়া পৌরসভার লোহাগাছ গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি শ্রীপুর বাজারের ফুটপাতে কাঁচামালের ব্যবসা করেন।
জুয়েল মিয়া বলেন, বুধবার বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরেন। বাড়ি ফিরে দেখেন তার মা চুলার পাড়ে বসে আগুন পোহাচ্ছেন। তখন তিনিও আগুন পোহাতে বসেন। এরপর তার মা ঘরে চলে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি ঘরে ফিরে পকেটে হাত দিয়ে দেখেন টাকা নেই। দৌড়ে চুলার কাছে গিয়ে দেখেন টাকাগুলো আগুনে পুড়ছে।
.png)
জুয়েল মিয়া আরো বলেন, এরপর তড়িঘড়ি করে পোড়া টাকা ওঠাতে শুরু করি। টাকা ওঠানোর আগেই বেশির ভাগ টাকা পুড়ে যায়। কিছু টাকা অর্ধেকের বেশি পুড়ে যায়। আমার মূলধন ৬৫ হাজার টাকা পলিথিনে মোড়ানো ছিল। টাকা পুড়ে যাওয়ায় আমি এখন সর্বস্বান্ত।
শ্রীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহিদ সরকার বলেন, ফুটপাতের কাঁচামাল ব্যবসায়ীর মূলধন আগুনে পুড়ে যাওয়ার খবরটি আমি জেনেছি। চেষ্টা করছি, তার পাশে দাঁড়িয়ে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। খোঁজ-খবর নিয়ে দেখছি।