ঘটনাটি ঘটেছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়নের ঘোলেরগাঁও গ্রামে। প্রেমিক সুহেল মিয়া সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের খায়রুন বাজারের পাশে ঘোলেরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল শহীদের ছেলে। তিনি গ্রিস প্রবাসী। রেণু সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের বেড়াজালী ঢুলপুসি গ্রামের নুর ইসলামের মেয়ে।
অনশনকারী রেণু আক্তার জানান, ২০১৫ সালে জীবিকার জন্য সৌদি আরবে গিয়ে গৃহকর্মীর কাজ করেন তিনি। এ সময় রং নম্বরে পরিচয় হয় গ্রিসে অবস্থানকারী সুহেল মিয়ার সঙ্গে। তখন থেকেই গ্রীস প্রবাসী সুহেল মিয়া ও সৌদিতে অবস্থানকারী রেণু আক্তারের মধ্য ম্যাসেঞ্জারসহ বিভিন্ন অ্যাপের ভিডিও কলে কথাবার্তা চলে এবং দুইজন দেশে এসে একে অপরকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন।
.png)
একপর্যায়ে প্রেমিক সুহেল মিয়া গ্রিসের সিটিজেনশিপের জন্য টাকার প্রয়োজন হলে রেণুর কাছে সহযোগিতা চান। পরে রেণু আক্তার জামালগঞ্জ উপজেলার সুহেলের খালাতো ভাইয়ের মাধ্যমে ব্যাংক এবং বিকাশে মাধ্যমে মোট ৮ লাখ টাকা দেন। চার বছর আগে রেণু দেশে এসে সুহেলের বাড়িতে বেড়াতে যান এবং সুহেলের আপন ছোটভাই রাজুর হাতে তার সুহেলের জন্য কেনা স্বর্ণের একটি আংটি ও নগদ একলাখ টাকা তুলে দেন।
তিনি আরো বলেন, আমার প্রবাস জীবনের ৮-১০টি বছরের কষ্টার্জিত প্রায় ১০ লাখ টাকা প্রেমিক সুহেল মিয়ার জন্য ব্যয় করেছি। তাছাড়া আমাকে আশ্বাস দিয়েছিল বিয়ে করবে। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। ১৮ জানুয়ারি বিকেলে প্রেমিকের বাড়িতে এলাম স্ত্রীর স্বীকৃতি আদায়ের জন্য।’
সুহেল মিয়ার মা রাজিয়া খাতুন জানান, তিনি জানতেন ভাই-বোনের মতো সম্পর্ক রয়েছে উভয়ের মাঝে। কিন্তু রেণু আক্তার বলেন, প্রেমের সম্পর্ক। তারা বিষয়টি পারিবারিকভাবে খতিয়ে দেখছেন। তবে টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয় তিনি জানেন না।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. খালেদ চৌধুরীর জানান, অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।