ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মেঘনায় ট্রলারডুবি: ছেলের পর এবার ভেসে উঠল বাবার মরদেহ

ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:৫৫, ২৯ জানুয়ারি ২০২৪
মেঘনায় ট্রলারডুবি: ছেলের পর এবার ভেসে উঠল বাবার মরদেহ
ছবি: সংগৃহীত

ভোলার মেঘনা নদীতে বাবা-ছেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনার ৯ দিন পর বাবা আব্দুল রাজ্জাকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেঘনা নদীর তুলাতলি পয়েন্ট থেকে ভাসমান অবস্থায় পুলিশ আব্দুল রাজ্জাকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে, রোববার দুপুর ১টার দিকে মেঘনা নদীর ইলিশা পয়েন্টের ফেরিঘাট সংলগ্ন থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইলিশা নৌ-থানার ইন্সপেক্টর বিদ্যুৎ বড়ুয়া।

Advertisement

তিনি জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেঘনা নদীর তুলাতলি পয়েন্ট এলাকায় ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে জানান জেলেরা। এরপর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুল রাজ্জাকের মরদেহটি তার পরিবার শনাক্ত করেছে। ঘটনার ৯ দিন পর তার মরদেহ পাওয়া যায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর আগে, গতকাল রোববার দুপুরে মেঘনা নদীর ইলিশা পয়েন্ট থেকে ছেলে পারভেজ সরদারের মরদেহ উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।

প্রসঙ্গত, গত ২১ জানুয়ারি রাতে মনপুরা থেকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া মালবাহী ট্রলারটি ইলিশার জোরখাল পয়েন্টে প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। ট্রলারটিতে ভাঙারি মালামালসহ সাতজন শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন বাবা-ছেলে। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার সময় পাঁচজন শ্রমিক সাঁতরে জেলে ট্রলারের সহায়তায় উপরে উঠে আসতে পারলেও আব্দুল রাজ্জাক ও তার ছেলে পারভেজ সরদার ইঞ্জিনরুমে থাকায় তারা বেরোতে পারেনি। কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা সাত শ্রমিক বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ট্রলারটির মালিক ছিলে ফারুক মাঝি। ফারুক মাঝি ভাঙারি মালামালের ব্যবসা করেন। তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে নদী পথে ট্রলারের মাধ্যমে মালামাল পরিবহন করেন। ডুবে যাওয়ার সময় তার ট্রলারে প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল ছিল।

ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকে কোস্টগার্ড ও ফায়ারসার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএ এর যৌথ ডুবুরি টিম উদ্ধার অভিযানে নামে। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বন্ধ রাখে। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার পর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়। বিআইডব্লিউটিএ ট্রলারটি উদ্ধার করার পর তাতে বাবা-ছেলের মরদেহ পাওয়া যায়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!