মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাহিদুল ইসলাম।
মঙ্গলবার ভোরে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার শিমুল রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে।
.png)
তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। নিহত ববিতা গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার পশ্চিম খাটিয়ামারি গ্রামের মৃত আজিজুল হকের মেয়ে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল মালেক বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরে নিহতের ভোটার আইডি কার্ডসহ সমস্ত কাগজপত্র লোপাট করে নিয়ে যান শিমুল। পরবর্তী সময়ে ববিতার আগের স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ করে আসামি শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়।
এক সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) সাহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত ববিতা গাজীপুরে থেকে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। প্রায় ছয় মাস আগে তার আগের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হলে তিনি আশুলিয়ার ইউনিক এলাকায় এসে ভাড়া থাকতে শুরু করেন। পরে শিমুলের সঙ্গে ববিতার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ববিতা শিমুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। তবে শিমুল বিয়েতে রাজি না থাকায় ববিতাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
তিনি আরো বলেন, পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শিমুল স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে আশুলিয়ার ইউনিক এলাকার দ্বীন মোহাম্মদের বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেয়। বাসা ভাড়া নেয়ার দুই দিন পর ববিতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে শিমুল। পরে কক্ষের বাইরে থেকে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদশা মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গত ২৮ জানুয়ারি আশুলিয়ার ইউনিক এলাকার দ্বীন মোহাম্মদের বাড়ি থেকে নিহত ববিতার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।