গ্রেফতার রুবেল হোসেন বাগমারা উপজেলার গণিপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি নির্মাণ শ্রমিক।
জানা যায়, সাত বছর আগে একই উপজেলার বুজরুকৌড় গ্রামের ঝর্ণা আক্তার লিপিকে বিয়ে করেন রুবেল। তাদের একটি পুত্র সন্তানও আছে। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। তাই হতাশাগ্রস্ত হয়ে স্ত্রীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এছাড়াও স্ত্রী অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করতেন তিনি।
.png)
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল র্যাবকে জানায়, বেশ কয়েকদিন আগে স্ত্রী লিপিকে মারধর করেছিলেন। এরপর বাবার বাড়িতে তাড়িয়ে দেন তিনি। কয়েকদিন পর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে রুবেল আবার মাফ চেয়ে স্ত্রী লিপিকে নিয়ে আসেন। বাড়ি নিয়ে আসার পর আবারো স্ত্রীকে নির্যাতন করেন রুবেল।
সোমবার ভোর ৫ টার দিকে লিপির সঙ্গে কথা কাটাকাটির সময় মা ও বোনের দরজায় তালা দিয়ে আসে রুবেল। এরপর একটি শাবল দিয়ে লিপির গলা, বুক ও থুতনিতে খুঁচিয়ে হত্যা করে রুবেল। এরপর তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় সোমবার রাতে লিপির বড়ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে বাগমারায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় রুবেলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
এরপরই র্যাব-৫ ছায়া তদন্ত করে আসামি রুবেলকে রাজশাহী নগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালী পৌরসভার মাসকাটাদিঘী এলাকা থেকে রাত ১১টার দিতে গ্রেফতার করে।
বাগমারা থানার ওসি ওরবৃন্দ সরকার জানান, দুপুরে গ্রেফতার রুবেলকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি।