বৃহস্পতিবার রাতে মুকসুদপুর উপজেলার ঐ মাদরাসা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। মুকসুদপুর থানার ওসি আশরাফুল আলম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত ইসমাইল হোসেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া গ্রামের ইয়ার আলি সিকদারের ছেলে ও মাদরাসার সুপার।
.png)
মামলার অপর আসামিরা হলেন- এ মাদরাসার শিক্ষক মাসুম বিল্লা, আলামিন হোসেন, আসাদুজ্জামান, মিজানুর রহমান ও আমেনা বেগম। মামলার অপর আসামি মিজানুর রহমান পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
ওসি আশরাফুল আলম বলেন, গত বুধবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের একটি মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে মাদরাসা শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ইসমাইল হোসাইনসহ ছয়জনকে আসামি করে মুকসুদপুর থানায় একটি মামলা করেন।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামি মাদরাসাশিক্ষক ইসমাইল হোসাইনসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে এ শিক্ষক তার রুমেই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে -যোগ করেন ওসি।
ওসি আরো বলেন, শুক্রবার গ্রেফতারকৃত ঐ মাদরাসাশিক্ষকসহ পাঁচজনকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।