র্যাব-৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার আরিফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিং এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চার বছর আগে স্বামী শামসুল হক মারা গেলে হেলেনা নয়াডিঙ্গী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। অপরদিকে নিহত রউফ নয়াডিঙ্গী গাছবাড়ি এলাকায় মুদি দোকান করতেন। দুজনের বাড়িই পাশাপাশি গ্রামে। রউফের দোকানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার সূত্র ধরে দুজনের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে হেলেনা তার বাড়ির পাশের একটি লেবু খেতে রউফকে দেখা করতে বলে। পরে সে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রউফের শীতবস্ত্র দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নিজ বাড়িতে অবস্থান নেয়। পরদিন ভোরে স্থানীয়রা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতল মর্গে প্রেরণ করে।
.png)
আরিফ হোসেন আরো জানান, বিষয়টি জানার পরপরই র্যাব আসামি ধরতে অভিযানে নামে। পরে নয়াডিঙ্গী এলাকা থেকে হেলেনাকে র্যাব আটক করে। যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে হেলেনাকে সাটুরিয়া থানায় পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে একটি মামলা প্রস্তুতি চলছে।