শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়ের নিশানবাড়িয়া ও গামরবুনিয়া এলাকায় বন্দর নির্মাণের সম্ভাব্য জায়গা ঘুরে দেখেন।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এই উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া ও গামুরবুনিয়া এবং আমতলী উপজেলার তারিকাটা ও উত্তর টিয়াখালী মৌজার ৩ হাজার একর জমি বিমান বন্দর নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এইসব এলাকাজুড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২ কিলোমিটার প্রস্থের রানওয়ে নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
.png)
এছাড়া যে জায়গাটি প্রাথমিকভাবে বিমানবন্দর নির্মাণ করার স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে সরকারের প্রচুর খাস জমি রয়েছে। এর বাইরে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন হয়ত কিছু জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। তা ছাড়া এলাকাটিও বিমানবন্দরের রানওয়ে করার জন্য অত্যন্ত সুন্দর। অপরদিকে জায়গাটি আমতলী ও কলাপাড়া উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে পড়েছে। এতসব কারণে বিমান বন্দর করার জন্য জায়গাটি সবদিক থেকে উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে বলে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা মনে করেছেন।
জায়গা পরিদর্শন শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ‘বিমান বন্দর নির্মাণের স্থান নির্ধারণের তথ্য চেয়ে এরইমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠি পেয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। দুটি সংস্থার পক্ষ থেকে এখন আমরা সম্ভাব্য জায়গাটি সরেজমিন দেখতে এসেছি। তবে এখানেই চূড়ান্ত হয়নি। প্রাথমিকভাবে এই প্রস্তাব আমরা দেব।’