তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন মুঞ্জরী রানীর দ্বিতীয় স্বামী ইমন কুমার। নিহত মুঞ্জরী রানী শহরের চাকলাপাড়া এলাকার কালীকিংকর বিশ্বাসের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, চলতি মাসে কাঞ্চনপুর উত্তর পাড়ার ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস শুরু করেন মুঞ্জরী রানী। রোববার রাতে কিছু একটা শব্দ শুনে ওই বাড়িতে যান এলাকার কিছু মানুষ। পরে ঘরের দরজা খোলা থাকায় ভেতরে গিয়ে দেখা যায় বিছানায় মুঞ্জরী রানীর মরদেহ পড়ে আছে। মুঞ্জরী রানী ও স্বামী ইমন কুমারের মধ্যে কোনো ঝগড়া বিবাদের খবর শোনেননি।
.png)
কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, মায়ের সঙ্গে বিভিন্ন সময় পাপড় বিক্রি করতেন মুঞ্জরী রানী। কিছুদিন আগে হামদহ জেলা পরিষদ মার্কেটে একটি দোকান নেন তার স্বামী। কয়েকদিন আগে থেকেই তার স্বামী ইমন দোকানে মালামাল তোলার জন্য শ্বশুরবাড়িতে টাকা চাচ্ছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলাও হয়েছে শুনেছি। এসবের জেরেই এ মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটতে পারে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহীন উদ্দিন জানান, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।