বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ইফাত ফারজানা।
আহতরা হলেন- ভূঞাপুর পৌর শহরের বীরহাটি গ্রামের আব্দুল হালিম (৩৮), বামনা হাটা গ্রামের জহুরুল ইসলাম (২৩), আতিকুর রহমান (৩৮), পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের লিলি বেগম (৩০), ফলদা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের কেরামত আলী (৬৫), আইয়ুব আলী, জুই খাতুন (৯) ও পৌরসভার বেতুয়া এলাকার জহুরা (৫০)। তাৎক্ষণিক আহত আরো কয়েকজনের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
.png)
আহত জহুরুল ইসলাম বলেন, ইবরাহীম খাঁ মাজারের কাছে একটি পাগলা কুকুর লাফ দিয়ে আমার ওপর এসে পড়ে এবং পায়ে কামড়ে দেয়। এরপরই সেখানে থাকা আরো কয়েকজনকে কামড়ে দেয়।
অপর আহত উপজেলার কষ্টাপাড়া ফাজিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক আতিকুর রহমান বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে খোঁজ নিতে যাওয়ার সময়ই দৌড়ে এসে কুকুরটা কামড় দেয়। পরে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়েছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ইফাত ফারজানা জানান, কুকুরের কামড় খেয়ে ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানা নেই। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।