বুধবার সকাল ৬টার দিকে ওই হাফেজিয়া মাদরাসার ওয়াশ রুমে এ বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনা ঘটে। নিহত মুজাহিদুল ইসলামের বাবা আবদুল্লাহ আল মামুনও ওই মাদরাসায় চাকরি করেন।
জানা যায়, বুধবার ভোরে ছাগলনাইয়া উপজেলার পাঠান নগর গ্রামের তাকিয়া বাড়ি হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার আবাসিক ছাত্র মুজাহিদুল ইসলাম ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য অজু করতে ওয়াশ রুমে প্রবেশ করে। ওয়াশরুমে পানি নেই দেখে সে সেখানে পানির মটরের সুইস অন করে। অজু শেষে ওয়াশ রুম থেকে বের হওয়ার সময় ওয়াশরুমের স্টিলের দরজায় হাত দেওয়া মাত্রই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওয়াশরুমের ভেতর ছিটকে পড়ে। বিষয়টি জানাজানির পর মাদরাসার শিক্ষকরা এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
.png)
ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. হাসান ইমাম একজন মাদরাসা ছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রত্রিয়া চলমান রয়েছে।
অপরদিকে সোনাগাজীতে মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শাহাদাত হোসেন চৌধুরী নামে এক ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সে আমিরাবাদ ইউপির মধ্যম আহম্মদপুর গ্রামের কালু মিয়া চৌধুরী বাড়ির মৃত নূরুল আমিন চৌধুরীর ছেলে। শহীদ মানু মিয়ার বাজার হাজী রহিম উল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, রাত আটটার দিকে শাহাদাত তার জেঠাতো ভাই সাইমুনের মালিকীয় সাইমুন পোল্ট্রি খামারে ভেজা শরীরে বৈদ্যুতিক স্লুইজ দেওয়ার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। বুধবার সকালে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তিন ভাই, দুই বোনের মধ্যে সে ছিলো সবার ছোট।
সোনাগাজী থানার ওসি সুদীপ রায় পলাশ এক ছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ সকালে জানাজা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।