এর আগে, বুধবার দিবাগত রাতে তিনি মাদরাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে। মৃত ফিরোজ কবির (২৩) দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জের বাদুরিয়া গ্রামের আহমদুল হাছানের ছেলে ও একই মাদরাসার একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করতে এসে মৃত ফিরোজের বাবার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে। কিছুদিন আগে ফিরোজ বিয়ে করেছেন। ফিরোজের স্ত্রী তাকে চাটখিলে নিয়ে আসার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক চাপ ও মানসিক হতাশা থেকে ফিরোজ আত্মহত্যা করেছেন।
.png)
চাটখিল থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা নেয়া হবে।