শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের ধোতরা গ্রামে অবস্থিত কৃষি ইনস্টিটিউটের পশ্চিম পাশের রাস্তা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শারমিন আক্তার ধানগড়া ইউনিয়নের বরুন্ডি গ্রামে মান্নানের মেয়ে।
নিহতের প্রথম স্বামী মনোয়ার বলেন, শনিবার বিকেলে শারমিনের সঙ্গে আমার পুনরায় বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুপুরেই শারমিনের গলাকাটা মরদেহ রাস্তার পাশে দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে আমরা গিয়ে শারমিনের মরদেহ শনাক্ত করি। আমি শারমিনের হত্যার বিচার চাই।
.png)
বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ওসি সফিকুল ইসলাম মোল্যা।
তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ওই নারীর প্রথম স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে মনোয়ার নামে একজনের সঙ্গে শারমিনের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু ধামরাই উপজেলার রতন নামে আরেকজনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে এক মাস আগে বিয়ে করে সংসার শুরু করেছিলেন বলে জানা গেছে।