ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

যে মেলায় ডুব দিলেই হবে ‘পাপমোচন’

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:০২, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
যে মেলায় ডুব দিলেই হবে ‘পাপমোচন’
ডুবের মেলা

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বংশাই নদীতে দিনব্যাপী ডুবের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মেলায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্নান উৎসব চলে। এতে কিশোর-কিশোরীসহ সব বয়সী নারী-পুরুষ অংশ নেন।

শনিবার বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সৈয়দামপুর গ্রামে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

ডুবের মেলার রয়েছে সুদীর্ঘ ইতিহাস। প্রতি বছর মাঘী পূর্ণিমায় অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এ সময় বংশাইয়ে পুণ্যস্নান করলে পাপমোচন হয় বলে বিশ্বাস করেন।

ব্রিটিশ আমলে ভক্ত-সাধু নামে খ্যাত এক সন্ন্যাসী (মাদব ঠাকুর) মূর্তি প্রতিস্থাপন করে পূজা-অর্চনা শুরু করেন। সে সময় থেকে পূজা উপলক্ষে গঙ্গাস্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তখন থেকেই ডুবের মেলা নামে পরিচিত এটা। এ মেলায় সকাল থেকে চলে দুপুর পর্যন্ত স্নান উৎসব। কিশোর-কিশোরীসহ সব বয়সী নারী-পুরুষ এ উৎসবে অংশ নেন।

এ স্নান উৎসবে অংশ নেয়া পুণ্যার্থীরা জানান, পাপমোচনের জন্য ভোরে মানত ও গঙ্গাস্নান পর্ব শেষ করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। গঙ্গাস্নান করলে সারা বছরের পাপমোচন এবং মনের আশা ও বাসনা পূরণ হয়। এজন্য দূরদূরান্ত থেকে লোকজন আসেন গঙ্গাস্নানে অংশ নিতে।

স্নান উৎসবে অংশ নেয়া দেবাশীষ দাস বলেন, মাঘী পূর্ণিমার তিথিতে উত্তর বাহিত জলে স্নান করলে পাপমোচন হয় বলে মনে করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

এ বিষয়ে পুরোহিত রবীন্দ্র চক্রবর্তী জানান, অনেক আগে থেকে এ স্নান শুরু হয়েছে। একে বলে মাঘী পূর্ণিমার গঙ্গাস্নান। ৩০ থেকে ৪০ জন পুরোহিত এ গঙ্গাস্নানে এসেছে। লোকজন দূরদূরান্ত থেকে গঙ্গাস্নানে অংশগ্রহণ করতে এসেছেন। তারা মনের বাসনা পূরণের আশায় এখানে আসেন। ডুব দিলে পূর্ণ হয় তাদের মনের বাসনা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!