রোববার একদিনে মৃত অবস্থায় ভেসে এসেছে ১০টি মা কাছিম। একটি ইরাবতী ডালফিন অপরটি রাজকাকড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে এসব প্রাণী উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট (বোরি) এর জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম।
.png)
তিনি বলেন, রোববার সকালে হিমছড়ি সৈকত থেকে একটি ইরাবতী ডলফিন ও একটি রাজকাকড়া মৃত অবস্থায় ভেসে এসেছে। এর মধ্যে ডলফিনটি ৬ ফিট লম্বা এবং প্রায় ১২০ কেজি ওজনের। এছাড়া রোববার সারা দিনে সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ১০টি মৃত কাছিম উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া কাছিম অলিভ রিডলি প্রজাতির। এসবের নমুনা সংগ্রহ করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া কাছিমের পেট পাওয়া গেছে ৭ শতাধিক ডিম৷
বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, প্রতিটি কচ্ছপই জালের সুঁতোয় প্যাঁচানো এবং আঘাতপ্রাপ্ত। উপকূলে ডিম দিতে আসার সময় জেলেদের ফেলে দেওয়া জাল, রশিতে পেঁচিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে এসব কচ্ছপ মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে, ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উখিয়ার সোনারপাড়া সৈকতে একটি এবং ইনানী সৈকতে একটি মৃত ডলফিন ভেসে আসে। ১৫ ফেব্রুয়ারি হিমছড়ি সৈকতে মৃত ভেসে আসে আরো একটি ইরাবতী ডলফিন। ১৪ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ভেসে আসে একটি মৃত পরপইস। এর মধ্যে গত ২১ ফেব্রুয়ারি কুয়াকাটা সৈকতেও মৃত পাওয়া গেছে একটি ডলফিন। নতুন করে রোববার সকালে পাওয়া গেল আরো একটি ডলফিন।
এ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক মন্তব্য করেছেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।