জানা গেছে, নিহত কাশেম ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।
সম্প্রতি পাবনার পৌরসভার ঐ এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিলকে কেন্দ্র করে আবুল কাসেমের সঙ্গে একই এলাকার সামির হোসেনসহ কিছু যুবকের বিরোধ চলছিল। রোববার বিকেলে কাশেম তার বাড়ি থেকে সামিরের বাড়ির দিকে যান। এ সময় সামিরের বাবা লাড্ডু সুলতান সেটা দেখতে পান। পরে তিনি বাড়ি থেকে ছুরি এনে কাশেমকে আঘাত করতে থাকেন।
.png)
এ সময় সামির ও তার বাবার নেতৃত্বে ৭-৮ জন যুবক সেখানে উপস্থিত হয় এবং তারাও কাশেমকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে কাশেমের নিথর দেহ মাটিতে পড়ে গেলে সেখান থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
পরে স্থানীয়রা কাশেমকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’