স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে ফরিদপুরে রেফার্ড করেন। রোবার রাতে ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
জানা যায়, দর্শনা পৌরসভার শ্যামপুর গ্রামের গোলাম আলির ছেলে আসাদুল হক রোববার বিকেলে মাঠের কৃষি কাজ শেষে বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় জয়নগর-শ্যামপুর ২ নম্বর রেলক্রসিং পার হচ্ছিল। এ সময় দর্শনা রেলবন্দর থেকে ছেড়ে আসা মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে বাইসাইকেলসহ আটকে যায়। ইঞ্জিনের সঙ্গে বেঁধে কিছুদূর গিয়ে ছিঁটকে পড়েন ওই বৃদ্ধ।
.png)
এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রথমে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ও পরে ফরিদপুর হাসপাতালে নেয়ার পর রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান। সোমবার সকালে তার লাশ গ্রামের বাড়ি নিয়ে আসা হয়।
দর্শনা রেলওয়ে পুলিশ ইন্সপেক্টর এম জাকারিয়া জানান, ঘটনার পরপরই তাকে দেখতে আহতের বাড়িতে যাই।
দর্শনা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, ঘটনাটি শুনেছি।