জানা গেছে, রাখাইন সস্প্রদায়ের ব্যবহারের হাজার বছর পুরোনো তৈজসপত্রসহ নানান শিল্পকর্ম দিয়ে সাজানো হয়েছে যাদুঘরটি। রাখাইনদের ব্যবহার্য ২০ ধরনের উপকরণ রাখা হয়েছে এখানে। এরমধ্যে রয়েছে রাখাইন ভাষায় তালপাতায় লেখা পুঁথি, সেগুন কাঠের বাক্সসহ বিভিন্ন ধরনের পাত্র, পশুর হাড় দিয়ে তৈরি অস্ত্র, পিতলের ঘণ্টা ও হরিণের চামড়াসহ নানান জিনিস। এসব উপকরণ স্থানীয় প্রবীন রাখানইনদের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া জাদুঘরের দেয়ালে অঙ্কন করা হয়েছে রাখাইনদের প্রথম রাজা চন্দ্রসূর্য ও শেষ রাজা মহাথামান্দার ছবি।
কুয়াকাটার স্থানীয় বাসিন্দা ইমন বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকরা এই যাদুঘরের মাধ্যমে রাকাইনদের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। প্রাচীন কুয়া ও ঐতিহ্যবাহী মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির অবস্থিত এই যাদুঘরের পাশে। জাদুঘরটিতে রাখাইনদের ব্যবহৃত পুরোনো বিভিন্ন জিনিসপত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।
.png)
জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা রাখাইন মং লাচিং এবং মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দিরের পুরোহিত উত্তম ভিক্ষু জানান, এই যাদুঘরটি আমাদের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ধারণ করবে। যাদুঘরের মাধ্যমে আমাদের সম্পর্কে কুয়াকাটার পর্যটকরা বিস্তর জানতে পারবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এই যাদুঘরটি আমি ২০১৮ সালে উদ্বোধন করেছি। এরপর এখন পর্যন্ত স্থানীয় রাখাইনদের সহযোগিতায় যাদুঘরটিতে বিভিন্ন দর্শনীয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কুয়াকাটায় যারা বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছেন তারা সহজেই এ জাদুঘর ঘুরে সম্প্রদায়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে। ক্রমশই বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করে এ জাদুঘরের সংগ্রহশালা আরো সমৃদ্ধ করা হচ্ছে।