শনিবার রাতে তাকে যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর রোববার সকালে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানান র্যাব যশোরের অধিনায়ক মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইব্রাহীম ওরফে খলিলুর রহমান ঝিকরগাছার পদ্মপুকুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। যশোরের ঝিকরগাছা থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় তাকে ২০০৯ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
.png)
জানা যায়, পেশায় রাজমিস্ত্রি সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতার এড়াতে ছদ্দনাম ব্যবহার ও ভুয়া এনআইডি কার্ড বানিয়ে তিনটি বিয়ে করেছেন। তিনি প্রথম স্ত্রীকে রেখে মণিরামপুরের রাজগঞ্জ এলাকায় রেশমা নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচিত হয়। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে প্রেম ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে ওই নারীর বাবা জেলার ঝিকরগাছা থানায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৮ মাস জেলহাজতে থেকে জামিনে মুক্তি পান। এরপর আত্মগোপন করতে ঢাকায় পালিয়ে যায়। আদালত এ মামলায় তাকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন।
সাজা থেকে নিজেকে বাঁচাতে নিজের নাম পরিবর্তন করে সুমন ইসলাম নামে ভুয়া এনআইডি কার্ড তৈরি করে যশোরে ফিরে আসেন। এরপর জেলার ঝিকরগাছা থানার চাপাতলা এলাকায় তৃতীয় স্ত্রীর এলাকায় নিজেকে ভুয়া এনআইডির নাম সুমন ইসলাম নামে পরিচয় দিতে থাকেন। একইভাবে তিনি ছদ্দনাম ব্যবহার করে বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায় অবস্থান করতে থাকেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব তাকে গ্রেফতার করে ঝিকরগাছা থানায় সোপর্দ করেছে।