অন্যদিকে, ভারতীয় জিরা কেজি প্রতি ৫০ টাকা কমে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে কমেছে দাম বলছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। দাম কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
সোমবার হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়। হিলি বাজারে কাঁচাবাজার করতে আসা আসমা বেগম বলেন, সামনে রমজান। এই মাসে অন্য দেশে নিত্যপণ্যের দাম কমে আর আমাদের বাংলাদেশে দাম বৃদ্ধি পায়। বাজারে প্রায় সব জিনিসপত্রের দামই বৃদ্ধি পেয়েছে, এর মধ্যেও পেঁয়াজ, আলু এবং জিরার দাম কমেছে। তবে পেঁয়াজের দাম কমলেও তা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। আগে ৫ কেজির বেশি পেঁয়াজ কিনতাম এখন আধা কেজি সর্বোচ্চ ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। আয়ের থেকে ব্যয় অনেক বেশি হয়ে গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি এখনি জরুরি পদক্ষেপ না নেয় তাহলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধি করে দেবে।
.png)
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রিতা শাকিল মাহমুদ বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হবে যার খবরে মোকামগুলোতে কমতে শুরু করেছে দেশি পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে একদিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি ৫ টাকা কমে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আমরা কম দামে কিনে কম দামে বিক্রি করছি। যদি ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয় তাহলে দাম আরো অনেকটাই কমে যাবে।
হিলি বাজারের আলু, রসুন বিক্রেতা মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, দেশের মোকামে আলু এবং রসুনের সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে কমতে শুরু করেছে দাম। বর্তমানে আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে। তবে আগের থেকে ক্রেতা অনেক কম।