ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ হারুন পাশা বলেন, গুদামটিতে সব অপরিশোধিত চিনি ছিল। অপরিশোধিত চিনি মূলত কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের একটি যৌগ। কার্বন ও অক্সিজেন দুটোই আগুন জ্বলতে সহায়তা করে। এখন পানি দিয়ে এই আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে দেখা গেছে, অত্যাধুনিক যন্ত্র লুফ-৬০ দিয়ে রিমোটের সাহায্যে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস। প্রতি মিনিটে এক হাজার লিটার স্পিডে পানি ছিটানো হচ্ছে ওই যন্ত্রের মাধ্যমে। যেটির সক্ষমতা প্রতি মিনিটে তিন হাজার লিটার।
.png)
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকলে বাড়ানো হয় ইউনিট সংখ্যা। সবশেষ ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিটের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।
সোমবার রাত ১১টার দিকে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তারা। এরপর রাতভর চলে আগুন নেভানোর কাজ। এখনো আগুন নেভানোর কাজ করে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট।