রোববার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ বেগম সিরাজাম মুনীরা এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ভোলা জেলার দৌলতখান থানার চর খলিফা গ্রামের রুবেল ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার মোহছেন আউলিয়া গ্রামের আব্বাস। এদের মধ্যে রুবেল চট্টগ্রাম অভয়মিত্র ঘাটের কর্ণফুলী কলোনিতে ও আব্বাস নগরীর সদরঘাট থানার আলকরণ এলাকায় থাকতেন।
.png)
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি দীর্ঘতম বড়ুয়া।
তিনি বলেন, হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ঐ দুই আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া লাশ গুমের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই আসামিদের তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ছিনিয়ে নেয়া স্বর্ণালংকারের ক্রেতা ফরহাদ হোসেনকে এ মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঞ্জু সেন (৭৭) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নগরীর ফিরিঙ্গি বাজার শিববাড়ি লেইন এলাকায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৮ সালের ২৫ মে সকালে নগরীর সদরঘাট থানার নেভাল-২ এলাকায় হাঁটতে যান। এ সময় তাকে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যার দণ্ডপ্রাপ্তরা। সেখানে তার স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও মোবাইল ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে মাথায় আঘাত করে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মরদেহটি ঝোঁপের আড়ালে ফেলে দেন তারা। পরদিন ২৬ মে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রতন কান্তি সেন বাদী হয়ে সদরঘাট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ঘটনায় জড়িত দুই আসামি রুবেল ও আব্বাসকে গ্রেফতার করে। পরে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আজ সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় দেন আদালত।