রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য বলছে, এক বিঘা জমিতে সরিষার ফলন হয়ে থাকে গড়ে ৬ মণ হয়। আর সূর্যমুখীর গড় ফলন প্রায় ১০ মণ। ২০২১ সালে সরকারিভাবে প্রণোদনা ছিলো সূর্যমুখী চাষে। সে বছর ব্যাপক হারে রাজশাহীতে সূর্যমুখীর চাষ হয়। জেলার সর্বোচ্চ ১৫৪ হেক্টর জমিতে এই সূর্যমুখীর চাষ হয়। এতে ফলন হয় ২০৪ মেট্রিক টন। পরের বছর সূর্যমুখীর চাষ কমে দাঁড়ায় ৩৯ হেক্টরে। এক বছরের মাথায় ২০২২ সালে এক লাফে সূর্যমুখীর চাষ কমে ১২০ হেক্টর জমিতে। এ বছর ফলন হয় মাত্র ৪৫ মেট্রিক টন। এবার জেলায় সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে মাত্র ২২ হেক্টর জমিতে।
কৃষি অফিসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২১-২২ অর্থ বছরে জেলায় ১৫৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়। সে বছর জেলার গোদাগাড়ী উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৬০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়। যা চলতি বছরে ৯ হেক্টরে নেমেছে।
.png)

রাজশাহীর কৃষক আলমগীর হোসেন জানান, গত বছর সূর্যমুখীর চাষ করলেও এবার করেননি তিনি।
তিনি আরো জানান, গত বছর এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছিলেন। কিন্তু ফলন ভালো পাননি। দামও তেমন পাননি। তাই এবার চাষ করেননি।
পবার চাষি শান্ত ইসলাম বলেন, আমি ১০ কাঠা জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছি। মূলত পুষ্টিগুণ বিবেচনায় পারিবারিক চাহিদা মেটানোর জন্য এই আবাদ। এখান থেকে কিছু হয়তো বিক্রি করব।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. মোজদার হোসেন বলেন, সূর্যমুখীর চাষ কমেছে। এর একটি কারণ এবার প্রণোদনা নেই। চাষিরা এখন অধিক লাভজনক ফসল আবাদের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।