সোমবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ভুবন চিলটি উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে পাখিটি তীরের হেফাজতে রয়েছে।
তীরের সভাপতি হোসেন রহমান জানান, কলেজ ক্যাম্পাসের একটি গাছে ভুবন চিলটি অসুস্থ অবস্থায় বসে ছিল। পরে বিষয়টি আমাদের নজরে এলে ভুবন চিলটিকে উদ্ধার করা হয়।
.png)
তিনি বলেন, অসুস্থ ভুবন চিলটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর বন বিভাগের সঙ্গে পরামর্শে দ্রুত পাখিটিকে অবমুক্তকরণের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তীরের উপদেষ্টা ও আজিজুল হক কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা বলেন, ভুবন চিল মাঝারি আকারের শিকারি পাখি। মূলত জলাশয় কিংবা নদ-নদীর কিনারে এদের সাক্ষাৎ মেলে। একাকী অথবা ছোট দলেও নজরে পড়ে। প্রজাতির অন্যদের মতো অত হিংস্র নয় ভুবন চিল। খাদ্যতালিকা স্থানীয় খাদ্যের যোগানের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। পানির আশেপাশে আবাস হলে মাছই এদের প্রধান শিকার হয়। অনেকসময় এরা মৃত বা রুগ্ন মাছও খায়।