আগুন নেভাতে গিয়ে কারখানাটির দুজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
জানা যায়, রোববার দুপুর একটার দিকে প্রতিষ্ঠানটির পাটের গোডাউনে আগুন দেখতে পান কর্মরত শ্রমিকরা। প্রথমে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভাতে কাজ শুরু করে। তবে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে সরু রাস্তা ও পানির অভাবে আগুন আরো ছড়িয়ে পড়ে।
.png)
গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ রিফাত মল্লিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। প্রথমে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে আরো ৬টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। আরো কয়েকটি ইউনিট পথে আছে। ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে সমস্যা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।
গজারিয়া থানার ওসি মো. রাজিব খান বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। তবে কোম্পানির পক্ষ থেকে আমাদের সেভাবে সহযোগিতা না করায় আমাদের সমস্যা হচ্ছে।
হোসেন্দী ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু বলেন, কারখানাটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল না। এ ব্যাপারে আমরা একাধিকবার তাদের সতর্ক করলেও তারা বিষয়টি আমলে নেয়নি।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কথা বলতে রাজি হননি।