শেরপুরের পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মোনালিসা বেগম জানান, জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূন্য পদ অনুসারে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে শতভাগ মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে কৃতকার্য প্রার্থীদের লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
এদিকে শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে ১২০ টাকায় আবেদন করে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে প্রাথমিকভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় উত্তীর্ণ প্রার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা অনেকে আবেগপ্রবণ হয়ে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। সেই সঙ্গে পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।
.png)
জেলার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল ৩৪টি শূন্য পদের বিপরীতে প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং শেষে ১৫৩২ জন প্রার্থী শারীরিক মাপ, শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। শারীরিক মাপ, শারীরিক সক্ষমতা যাচাই করা হয়। তন্মধ্যে ৩৭৮ জন লিখিত পরীক্ষা অংশগ্রহণ করেন এবং লিখিত পরীক্ষায় ১৩৮ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরে চূড়ান্তভাবে নারী ও পুরুষ ৩৪ জনকে মনোনীত করে টিআরসি নিয়োগ বোর্ড ৷