এর আগে বেলা ১২ টার দিকে ভৈরব মেঘনা নদীতে উদ্ধার অভিযানের তৃতীয় দিনে ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধার করে ভৈরবে নৌ-থানায় এনে রাখা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের নৌ-পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-মামুন। এ নিয়ে ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরো তিনজন।
.png)
রোববার বিকেলে মেঘনা নদীর পাড়ের কালিপুর এলাকা ও দুই সেতুর এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ছিলো ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিআই ডব্লিউটিএ ও ভৈরব নৌ-পুলিশ ইউনিট।
বিআইডব্লিউটিএ'র উপ-পরিচালক উবায়েদুল করিম খান জানান, বেলা ১২ টার দিকে ডুবে যাওয়া নৌকা মেঘনার পাড়ে তোলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় বাকী নিখোঁজ তিনজনের লাশ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ভৈরবের মেঘনা নদীতে ১৬-২০ জন যাত্রী নিয়ে সুন্দরবন নামে পর্যটকবাহী একটি নৌকা বালুবাহী বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নৌকাটি ডুবে যায়। ঘটনার পরদিন শনিবার দুপুরে ৫ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী মৌসুমী বেগম ও শহরের আমলাপাড়া এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী চন্দন দের কন্যা আরাদ্দা দে।
ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনো ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজরা হলেন পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা ও তার ছেলে রাইসুল ও শহরের আমলাপাড়া এলাকার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলার মানিকখালী গ্রামের বেলন দে।