শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তবে প্রতিপক্ষের দাবি ঘটনা সাজানো। এদিকে, খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
আহতরা হলেন- শিক্ষক ফরহাদ রহমান (৩৭), নাশরিন আক্তার (২৫), জুলেখা বেগম (৪৮), রেখা আক্তার (৩৫), ইমা ইসলাম (৩৫) ও সুমি আক্তারসহ (২৩) মোট সাতজন আহত হন।
.png)
জানা গেছে, উপজেলার এনায়েতনগর এলাকার করম মৃধার শিক্ষকপুত্র ফরহাদ রহমানের সঙ্গে একই এলাকার আসাদুল মৃধার স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। এরই জেরে আসাদুল মৃধার নেতৃত্বে মোহাম্মদ আলী লোকজন নিয়ে দেশী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শিক্ষক ফরহাদের বসতবাড়িতে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষক ফরহাদ রহমান বলেন, বিনা কারণে আসাদুল ও তার লোকজন মিলে আমাদের বসত বাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমাদের পিটিয়ে, কুপিয়ে আহত করেছে। এ সময় ঘর থেকে টাকা পয়সা-জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি।
অভিযুক্ত আসাদুলের বাবা আবদুল খালেক ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বসতবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা সাজানো। আমাদের লোকজন মারধর করেছে, ফরহাদ রহমানের লোকজনেরাও মারধর করেছে।
এ ব্যাপারে কালকিনি থানার এসআই মিঠু ফকির বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।