মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌর এলাকার মাওনা চৌরাস্তায় লাইফ কেয়ার হাসপাতালের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন গাজীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদা আক্তার। পরিদর্শন শেষে তিনি হাসপাতালের পুরো কার্যক্রম বন্ধ রাখার নিদের্শনা দেন।
তিনি বলেন, লাইফ কেয়ার হাসপাতালের একজন নার্সের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আসলে নার্স না। যিনি ব্লাড সংগ্রহ করেন, তার কোনো ট্রেনিং নেই। রোগীর ফাইলে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস্ পাওয়া যায়নি। প্রতিটি রোগীর একই কেস, কোনো ওটি নোট লিখা নেই। শুধুমাত্র কনসার্ন পেপারে আছে, যাতে কোনো চিকিৎসকের স্বাক্ষর নেই। যারা লিখছে তারা সেখানে কী লিখছে, সেটাও তারা বলতে পারছে না। এটা তো অদক্ষতার মধ্যেও পড়ে না।
.png)
তিনি আরো বলেন, লাইফ কেয়ার হাসপাতালটি ১০ বেডের হাসপাতাল। ১০ বেডের হাসপাতালে কাগজপত্রসহ সব কিছুই থাকবে। ১০ বেডের হাসপাতালের জন্য যত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স দরকার তার কাগজপত্র আমাদের কাছে নিয়ে যাবে। তারপর আবার এসে দেখবো। দেখে সন্তুষ্ট হলে তারপর হাসপাতাল চালুর অনুমতি দেয়া হতে পারে। আপাতত তিনজন রোগীর চিকিৎসা চলমান আছে, তাদের আগামীকালের মধ্যে ছুটি হওয়ার কথা। তাদের ছুটি হয়ে গেলে নতুন করে আর কোনো চিকিৎসা কার্যক্রম চালাতে পারবে না।
গাজীপুরে শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তার লাইফ কেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকের অবহেলায় ইয়াছমিন আক্তার নামে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। এ সময় কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসক হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে গেলে উত্তেজিত স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।