ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স‌র্বোচ্চ তাপদা‌হে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা-ঈশ্বর‌দী: হিট অ্যালার্ট জারি

শামসু‌জ্জোহা পলাশ, চুয়াডাঙ্গা 
প্রকাশিত: ১১:৩৩, ৪ এপ্রিল ২০২৪
স‌র্বোচ্চ তাপদা‌হে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা-ঈশ্বর‌দী: হিট অ্যালার্ট জারি
তীব্র রোদে গাছের নিচে শুয়ে আছেন মানুষ

দে‌শের স‌র্বোচ্চ তাপদা‌হে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদী। চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদী‌তে দে‌শের স‌র্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশ‌মিক ৫ ডিগ্রি সেল‌সিয়াস রেকর্ড করা হ‌য়ে‌ছে। বুধবার (৩ এপ্রিল) বেলা ৩টায় এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২০ শতাংশ। ফ‌লে আবহাওয়া অধিদফতর থে‌কে এ অঞ্চ‌লে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

বুধবার রাত ৯টার দি‌কে এক প্রেস বিজ্ঞ‌প্তি‌তে বিষয়টি নি‌শ্চিত ক‌রেছেন চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান।

এদিকে, তীব্র রোদ আর গরমে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এই গরমে সবচাই‌তে বেশি ক‌ষ্টে আছে রোজাদার ব্যক্তিরা। বাইরে, রাস্তাঘাটে ও বাজারে লোকজনের চলাচল খুবই কম। খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না।

Advertisement

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, গত ক‌য়েকদিন থে‌কে চুয়াডাঙ্গার ওপর দি‌য়ে ব‌য়ে যা‌চ্ছে মাঝা‌রি তাপদাহ। গত সোমবার (১ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশ‌মিক ৫ ডিগ্রি সেল‌সিয়াস, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্র ছিল ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেল‌সিয়াস। সর্ব‌শেষ বুধবার (২ এপ্রিল) যৌথভা‌বে দে‌শের স‌র্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদী‌তে ৩৮ দশ‌মিক ৫ ডিগ্রি সেল‌সিয়াস রেকর্ড করা হ‌য়ে‌ছে। জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় জনজীবনে অস্বস্তি দেখা দি‌য়ে‌ছে। 

আগামী ৩ দিন এই তাপমাত্রার পা‌রদ আরো বাড়‌বে। এ সময় তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠতে পারে। আপাতত বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে কালবৈশাখী ঝড়ের বিষয়ে আগে থেকে বোঝা যায় না। দুই-এক ঘণ্টা আগে ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়া যায়। 

এদিকে, বাইরে রোদের তীব্র তাপ। সেইসঙ্গে গরমে মানুষ এক প্রকার গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। বাইরে না বেরিয়ে ঘরে অবস্থান করে ফ্যানের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ। 

তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে, নিম্ন আয়ের দিনমজুর ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের ক্ষেত্রে। তারা এই তীব্র রোদ ও গরম উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে বাইরে অবস্থান করছেন।

চুয়াডাঙ্গা শহরের এক রিকশা চালক বলেন, কী আর বলব, এই রোদ-গরমে রোজা থাকতে খুব কষ্ট হচ্ছে। আবার বসেও থাকতে পারছি না। বসে থাকলে পেটে ভাত জুটবে না।  

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!