অভিযোগ আছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক রাকিবুল ইসলাম রোগীকে আল্ট্রাসাউন্ড না করেই অপারেশন করেন।
বুধবার সকাল ৬টার দিকে প্রসব বেদনা নিয়ে আলসাবা ক্লিনিকে ভর্তি হন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাহাতপুর গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন। এ সময় ডা. রাকিবুল ইসলাম সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাবিনা খাতুনকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে সিজার করেন এবং একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান সুস্থ থাকলেও মায়ের ব্লিডিং বন্ধ হয় না। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের না জানিয়ে তিনব্যাগ রক্ত দিয়ে রোগীকে সুস্থ করার চেষ্টা করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।
.png)
এভাবে সারাদিন ব্লিডিং বন্ধ না হওয়ায় বিকেল ৫টায় মুমূর্ষু অবস্থায় রোগীকে তড়িঘড়ি করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে গেলে চিকিৎসক সাবিনাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে রোগীর স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে আলসাবা ক্লিনিকের সামনে হট্টগোল করলে ক্লিনিক মালিক সমিতির মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকায় ঘটনার দফারফা করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।
সিভিল সার্জন ডাক্তার শামীম কবে জানান, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলা এবং অপচিকিৎসা হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযুক্ত চিকিৎসক রাকিবুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
মাগুরা সদর থানার ওসি মেহেদি রাসেল বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। কিন্তু কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ করলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।