থানা-পুলিশ জানায়, স্থানীয় জনতা ধর্ষণে অভিযুক্ত চারজনকে ধরে রাতেই পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে শনিবার আটজনের বিরুদ্ধে মোল্লাহাট থানায় মামলা করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শুক্রবার রাতে মোল্লাহাট উপজেলার এক গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গানের আয়োজন ছিল। সেখানে নৃত্য পরিবেশনের জন্য এসেছিলেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারী ও তার স্বামীকে ফকিরহাটে পৌঁছে দিতে মোটরসাইকেলে করে রওনা দেন এলাকার কয়েক তরুণ। তবে তিনি ও তার স্বামী ভিন্ন ভিন্ন মোটরসাইকেলে ছিলেন। তরুণেরা ওই নারীকে এক সড়কে এবং তার স্বামীকে অন্য সড়কে নিয়ে যান। পথে তারা ওই নৃত্যশিল্পীকে ঘাটবিলা এলাকায় এক পরিত্যক্ত টিনশেডের ঘরে নিয়ে যান। সেখানে আটজন তাকে ধর্ষণ করেন। স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে অভিযুক্ত চারজনকে আটকে টহলরত হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে মোল্লাহাট থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে আরো একজনকে গ্রেফতার করে।
.png)
থানা-পুলিশ জানায়, গ্রেফতার পাঁচজনকে শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হয়। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আছাদুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মোল্লাহাট থানার ওসি এস এম আশরাফুল আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় হওয়া মামলায় গ্রেফতার পাঁচজনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।