সরেজমিন দেখা যায়, বৃটিশ আমলে রেলসেতুটি কাঠের স্লিপার দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। সেগুলো এখন অনেক জায়গা থেকে খুলে পড়ে গেছে। কাঠ না থাকায় অনেক জায়গা ফাঁকা হয়ে গেছে। যেখান দিয়ে চলাচল করা বা ট্রেন চলা খুবই বিপদজ্জনক। অনেকগুলো স্লিপার ভেঙে পড়ে গেছে। স্লিপারের সঙ্গে লাগানো হুকবোল্টগুলো নষ্ট ও চুরি হয়ে গেছে। যার ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ট্রেন দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সাধারণ যাত্রী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংস্কার না করা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সেতুটি। প্রতিদিন এই রেলসেতু দিয়ে মহানগর, লোকাল ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া স্থানীয় কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন শোলাকিয়া থেকে একরামপুর আসা যাওয়ার জন্য এ সেতুটি ব্যবহার করেন। সেতুটির এমন বেহাল দশা হলেও সেতুটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোনো উদ্যোগ। তাই যাত্রী এবং পথচারীরা সবসময় আতঙ্কিত থাকেন।
.png)
সেতু সংলগ্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী বিল্লাল মিয়া বলেন, রেলসেতুটি বৃটিশ আমলে তৈরি। আমরা ছোটবেলা থেকে যেরকম দেখে আসছি, এখনো সেরকমই আছে। কোনো সংস্কার হয়নি। বরং দিনদিন সেতুটির কাঠের স্লিপারগুলো খুলে পড়ে যাচ্ছে। যার ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আছে। এ জন্য রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে সেতুটি সংস্কারে যেন দ্রুত উদ্যোগ নেয়।
স্থানীয় সোহান বলেন, রেলের পাশে নেই রেলিং। স্লিপারগুলোও উঠে গেছে অনেক আগেই। যার ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই রেলসেতুটি সংস্কার করা খুবই জরুরি।
কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গিয়ে যোগাযোগ করা হলেও ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান রাজনকে পাওয়া যায়নি।
কার্যালয়ের স্টোর কিপার রুবেল জানান, রেলসেতুটি কিছুদিন আগে সংস্কার করা হয়েছে। এখন আবারো সংস্কারের প্রয়োজন হলে কাঠের জন্য তালিকা দেওয়া হবে।