বলছি, ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের কথা। অভিযোগ উঠেছে- দুদিন ধরে ট্রেনটির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কয়েকটি বগির এসিতে বের হচ্ছে না ঠান্ডা বাতাস। যা বের হচ্ছে তা-ও যাত্রী সংখ্যার তুলনায় অতি সামান্য। এছাড়া এসব বগিতে তোলা হচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রীও। ফলে শীতল থাকার পরিবর্তে ঘামতে হচ্ছে যাত্রীদের।
জানা গেছে, শুক্রবার ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার দিন ট্রেনে যাত্রীর চাপ ছিল বেশি। এদিন বিকেল সোয়া ৩টায় নোয়াখালীর উদ্দেশে রাজধানীর কমলাপুর স্টেশন ত্যাগ করে উপকূল এক্সপ্রেস। এ সময় দেখা যায়- ট্রেনটির এসি বগিতে দাঁড়িয়ে আছেন কিছু যাত্রী। এসি থেকে কম বের হচ্ছে ঠান্ডা বাতাস। এর মধ্যে কিছু জায়গায় ফ্যানও দেখা যায় নষ্ট।
.png)
পৌনে ৪টার দিকে ট্রেনটি বিমানবন্দর স্টেশনে থামতেই হুমড়ি খেয়ে উঠে পড়েন আরো কিছু যাত্রী। কিছুক্ষণের মধ্যেই যাত্রীতে ঠাসা হয়ে যায় বেশিরভাগ বগি। ফলে এসি বগিতে থেকেও ঘামতে থাকেন যাত্রীরা। এ সময় কাউকে হাতপাখা, কাউকে আবার কাগজজাতীয় কিছু দিয়ে বাতাস করতে দেখা যায়।
ট্রেনের এক যাত্রী বলেন, এসি বগিতে থেকেও ঘামতে হচ্ছে। এসি নষ্ট জানলে নরমাল বগির টিকিট কাটতাম। এখানে গরমে অবস্থা শেষ।
যাত্রীদের অভিযোগ পেয়ে এসি ঘেঁটে দেখেন বগির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি। তিনি জানান, দুদিন ধরে কয়েকটি বগিতে ঠান্ডা বাতাসের প্রেশার কম। কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও মেরামত হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেলের চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (পূর্ব) তাপস কুমার দাস বলেন, এ বিষয়ে জানা নেই। প্রধান বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী বলতে পারবেন।
প্রধান বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী (পূর্ব) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, এমন কোনো অভিযোগ আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। খোঁজ নিয়ে প্রমাণ পেলে দ্রুত সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেয়া হবে।